আসসালামু আলাইকুম আশা করছি সকলে ভালো আছেন, আপনারা যারা নতুন ব্যাংক আইন পাস হওয়ার পর এই নতুন নিয়মে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে কি কি লাগে এই বিষয়টি আপনারা জানেন না, তাদেরকে আমি ব্যাংক একাউন্ট খুলতে কি কি লাগে সে বিষয়ে বিস্তারিত আজকের এই পোস্টে জানাবো।
যাতে করে আপনারা বাংলাদেশের যে কোন ব্যাংকে ব্যাংক একাউন্ট তৈরি করার জন্য কি কি লাগে সেই বিষয়টি নিয়ে যাতে ব্যাংক কর্মকর্তার সঙ্গে কোন ধরনের কোন যোগাযোগ বা কথা বলা প্রয়োজন না পড়ে ।আজকের এই পোস্ট পড়লে আপনি নিজেই নিজে থেকে জেনে যাবেন যে, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে কি কি লাগে? চলুন শুরু করা যাক-
এছাড়াও আজকের পোস্টে আরও যে সকল বিষয় বিস্তারিত আপনি জানবেন তা হচ্ছে -
ব্যাংক
একাউন্ট খুলতে কত টাকা
লাগে, অনলাইনে ব্যাংক একাউন্ট খোলার
নিয়ম,মোবাইল দিয়ে ব্যাংক
একাউন্ট খোলার নিয়ম,ইসলামী
ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম,ডাচ
বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলার
নিয়ম,সোনালী ব্যাংক একাউন্ট
খোলার নিয়ম,ব্র্যাক ব্যাংক
একাউন্ট খোলার নিয়ম,ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম,অনলাইনে
ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম,অনলাইনে খোলা যাবে যে সকল ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট,বাংলাদেশ
ব্যাংক লোন কিভাবে নিবেন,ব্যাংক এশিয়া একাউন্ট খোলার নিয়ম,ব্যাংক কত প্রকার কি কি,ব্যাংক
কি,ব্যাংকের কাজ কি কি,ব্যাংকের ইতিহাস
আমরা সকলে যানি বর্তমানে ব্যাংক একাউন্ট ছাড়া কোন পরিবারই নেই বলা চলে। অর্থাৎ প্রত্যেকটা ব্যক্তি অথবা প্রত্যেকটা পরিবারে মিনিমাম একটি হলেও যে কোন বাংলাদেশের ব্যাংকে ব্যাংক একাউন্ট রয়েছে। আর যারা এখনো পর্যন্ত ব্যাংক একাউন্ট করেন নাই তারা অনেকে কিন্তু ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করতে ইচ্ছুক কিন্তু ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করতে কি কি কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়। কি কি বিষয় প্রয়োজন হয় এই বিষয়গুলি না জানার ফলে অনেকেই কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে অনেক ধরনের দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়।
ব্যাংক একাউন্ট খুলতে কি কি লাগে?
কমবেশি আমরা অনেকেই জানি
আবার অনেকেই জানিনা যে, যেকোনো ব্যাংকে আপনি যদি একাউন্ট তৈরি করতে চান বা অ্যাকাউন্ট
খুলতে চান সে ক্ষেত্রে কিন্তু সেই ব্যাংকের রুলস বা নিয়মে আপনাকে অবশ্যই কিছু ডকুমেন্টস
অর্থাৎ ব্যাংক একাউন্টের জন্য কিছু কাগজপত্র প্রমাণস্বরূপ দিতে হবে। তো চলুন ব্যাংক
একাউন্ট করতে কি কি লাগে? সে বিষয়টি আমরা জেনে নিন -
1.বাংলাদেশে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হলে নিম্নলিখিত কাগজপত্র লাগে:
ব্যক্তিগত একাউন্টের জন্য:
পরিচয়পত্রের ফটোকপি: জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, জন্ম নিবন্ধন ইত্যাদি।
বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ: বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, পানির বিল, টেলিফোন বিল, বাসার ভাড়ার রসিদ ইত্যাদি।
ব্যবসায়িক একাউন্টের জন্য:
ব্যবসায়িক লাইসেন্সের ফটোকপি।
প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধনপত্রের ফটোকপি।
উদ্যোক্তার পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
উদ্যোক্তার বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ।
এছাড়াও, ব্যাংকের নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে অন্যান্য কাগজপত্রও লাগতে পারে। যেমন, বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের পাশাপাশি ভিসার ফটোকপিও লাগতে পারে।
2.ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য নিম্নলিখিত ধাপগুলি অনুসরণ করতে হবে:
1.
আপনার নিকটস্থ ব্যাংকের শাখায় যান।
2.
ব্যাংকের কর্মকর্তাকে জানান যে আপনি একটি নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে চান।
3.
ব্যাংকের কর্মকর্তা আপনাকে অ্যাকাউন্ট খোলার ফর্ম প্রদান করবেন।
4.
ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করুন এবং আপনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করুন।
5.
ব্যাংকের কর্মকর্তা আপনার পরিচয় যাচাই করবেন এবং আপনার আবেদন গ্রহণ করবেন।
6.অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কিছু দিন সময় লাগতে পারে।
7.একবার অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গেলে, আপনি আপনার অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা করতে এবং অন্যান্য ব্যাংকিং লেনদেন করতে সক্ষম হবেন।
আপনি যদি ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে চান তবে, ব্যাংকের ওয়েবসাইটে গিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলার ফর্ম পূরণ করতে পারেন। তবে, এই ক্ষেত্রেও আপনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে।আশা করছি আপনারা যারা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে কি কি লাগে এই প্রশ্নটি নিয়ে এতদিন ভুগছিলেন? তারা উত্তরটি পেয়ে গিয়েছেন।অর্থাৎ ব্যাংক একাউন্ট খুলতে কি কি লাগে উপরের এই সকল বিষয় আপনি রেডি করলে একটি ব্যাংক একাউন্ট আপনি খুলতে পারবেন।
ব্যাংক একাউন্ট খুলতে আরো কি কি লাগে?
আবার আমাদের মধ্যে অনেকে রয়েছে যারা প্রশ্ন করে থাকে যে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে উপরে এই সকল বিষয়ের বাইরে আরো কি কি বিষয় প্রয়োজন পড়ে।
তাদের জন্য আমি একটি কথাই বলব যে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে বিভিন্ন ব্যাংক তার নির্দিষ্ট কিছু ডকুমেন্ট চেয়ে থাকে। তবে বেশিরভাগ বাংলাদেশী সরকারি আওতাভুক্ত ব্যাংক গুলি উপরের যে, প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি জানালাম সেই সকল বিষয় শুধু চেয়ে থাকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করার ক্ষেত্রে। এজন্য ঘাবড়ানোর কোন কারণ নেই আপনি যে ব্যাংকে একাউন্ট তৈরি করবেন সে ব্যাংকে গিয়ে কথা বললেও আপনি সবচাইতে আরও ভালভাবে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করার জন্য কি বিষয়গুলি দরকার হয় সে বিষয়টি জানতে পারবেন।
ব্যাংক একাউন্ট করতে কি কি লাগে এই বিষয়টি তো জানলাম কিন্তু ব্যাংক একাউন্ট খুলব কিভাবে সেই বিষয়টি না জানলে তো এটি আর দরকার নেই। তাই এখন আমরা জানবো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলার নিয়ম কি?
ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম
বাংলাদেশে ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য নিম্নলিখিত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে:
আপনি যে ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে চান সেই ব্যাংকের শাখায় যোগাযোগ করুন।
ব্যাংক থেকে একাউন্ট খোলার ফর্ম সংগ্রহ করুন এবং যথাযথভাবে পূরণ করুন।
আপনার পরিচয় এবং ঠিকানার প্রমাণ হিসাবে জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদির কপি জমা দিন।
আপনার আয়ের উৎস এবং প্রত্যাশিত লেনদেনের বিবরণ প্রদান করুন।
ব্যাংকের নির্ধারিত ফি পরিশোধ করুন।
ব্যাংক একাউন্টের ধরন অনুসারে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের প্রয়োজন হতে পারে। যেমন, ব্যবসায়িক একাউন্টের জন্য ট্রেড লাইসেন্স, আর্থিক বিবরণ ইত্যাদির প্রয়োজন হতে পারে।
ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
· 1.ব্যক্তিগত একাউন্টের জন্য:
জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
পাসপোর্টের কপি
ড্রাইভিং লাইসেন্সের কপি
দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
2.ব্যবসায়িক একাউন্টের জন্য:
ট্রেড লাইসেন্সের কপি
আর্থিক বিবরণের কপি
প্রত্যেক অংশীদারের জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের কপি
প্রত্যেক অংশীদারের দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য ফি
ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য ব্যাংক নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হয়। এই ফি সাধারণত ব্যাংকের শাখায় পরিশোধ করা যায়।
ব্যাংক একাউন্ট খোলার পর করণীয়
2.ব্যাংক একাউন্ট খোলার পর নিম্নলিখিত কাজগুলি করুন:
ব্যাংক থেকে চেক বই সংগ্রহ করুন।
ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করুন।
ব্যাংকের নিয়মকানুন সম্পর্কে জেনে নিন।
3.ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুবিধা
ব্যাংক একাউন্ট খোলার অনেক সুবিধা রয়েছে। যেমন,
নিরাপদভাবে অর্থ সঞ্চয় করা যায়।
অনলাইনে বা মোবাইলে লেনদেন করা যায়।
ঋণ নেওয়া যায়।
বিভিন্ন ধরনের আর্থিক সুবিধা পাওয়া যায়।
ব্যাংক একাউন্ট খোলার আগে বিষয়গুলি বিবেচনা করুন
ব্যাংক একাউন্ট খোলার আগে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি বিবেচনা করুন:
আপনার প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী একাউন্টের ধরন নির্বাচন করুন।
ব্যাংকের নীতিমালা এবং সুবিধাগুলি সম্পর্কে জেনে নিন।
ব্যাংকের শাখা এবং সেবা পয়েন্টগুলির অবস্থান বিবেচনা করুন।
ব্যাংকের ফি এবং চার্জগুলি জেনে নিন।
আশা করছি বিষয়টি আপনাদেরকে বুঝাতে পেরেছি
অনলাইনে ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম
বাংলাদেশে অনেক ব্যাংক অনলাইনে ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুবিধা প্রদান করে। অনলাইনে ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য নিম্নলিখিত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে:
1.আপনি যে ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে চান সেই ব্যাংকের ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপটিতে যান।
আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করুন।
আপনার পরিচয় এবং ঠিকানার প্রমাণ হিসাবে জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদির কপি আপলোড করুন।
আপনার আয়ের উৎস এবং প্রত্যাশিত লেনদেনের বিবরণ প্রদান করুন।
ব্যাংকের নির্ধারিত ফি পরিশোধ করুন।
জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
পাসপোর্টের কপি
ড্রাইভিং লাইসেন্সের কপি
দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
অনলাইনে ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য ফি
অনলাইনে ব্যাংক একাউন্ট খোলার পর করণীয়
3.অনলাইনে ব্যাংক একাউন্ট খোলার পর নিম্নলিখিত কাজগুলি করুন:
ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করুন।
ব্যাংকের নিয়মকানুন সম্পর্কে জেনে নিন।
অনলাইনে ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুবিধা
ঘরে বসেই একাউন্ট খোলা যায়।
সময় এবং অর্থ সাশ্রয় হয়।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের জটিলতা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
অনলাইনে ব্যাংক একাউন্ট খোলার আগে বিষয়গুলি বিবেচনা করুন
4.অনলাইনে ব্যাংক একাউন্ট খোলার আগে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি বিবেচনা করুন:
আপনার প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী একাউন্টের ধরন নির্বাচন করুন।
ব্যাংকের নীতিমালা এবং সুবিধাগুলি সম্পর্কে জেনে নিন।
ব্যাংকের ফি এবং চার্জগুলি জেনে নিন।
বাংলাদেশের অনলাইনে ব্যাংক একাউন্ট খোলার উপযোগী ব্যাংকগুলো
ডাচ-বাংলা ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ
ব্র্যাক ব্যাংক
এক্সিম ব্যাংক
এনসিসি ব্যাংক
প্রিমিয়ার ব্যাংক
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক
আপনার প্রয়োজন এবং সুবিধা অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যাংক নির্বাচন করুন।
আশা করছি বিষয়টি আপনাদেরকে বুঝাতে পেরেছি
অনলাইনে খোলা যাবে যে সকল ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট
বাংলাদেশে অনলাইনে খোলা যাবে এমন ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট
বাংলাদেশে অনলাইনে খোলা যাবে এমন ব্যাংকের অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে, বাংলাদেশের বেশিরভাগ ব্যাংক অনলাইনে অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা প্রদান করে।
বাংলাদেশে অনলাইনে খোলা যাবে এমন ব্যাংকের অ্যাকাউন্টের মধ্যে রয়েছে:
সোনালী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ
ব্র্যাক ব্যাংক
এক্সিম ব্যাংক
এনসিসি ব্যাংক
প্রিমিয়ার ব্যাংক
ইউনিয়েড কমার্শিয়াল ব্যাংক
অনলাইনে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য সাধারণত নিম্নলিখিত ধাপে ধাপে কাজ করতে হয়:
1.
ব্যাংকের ওয়েবসাইটে যান বা মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন।
2.
অনলাইন অ্যাকাউন্ট খোলার লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।
3.
আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করুন।
4.
আপনার পরিচয় এবং ঠিকানার প্রমাণ হিসাবে জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদির কপি আপলোড করুন।
5.
আপনার আয়ের উৎস এবং প্রত্যাশিত লেনদেনের বিবরণ প্রদান করুন।
6.
ব্যাংকের নির্ধারিত ফি পরিশোধ করুন।
অনলাইনে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য সাধারণত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রগুলি হল:
জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
পাসপোর্টের কপি
ড্রাইভিং লাইসেন্সের কপি
দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
বাংলাদেশ ব্যাংক লোন কিভাবে নিবেন
বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন ধরনের ঋণ প্রদান করে। এই ঋণগুলি বিভিন্ন উদ্দেশ্যে যেমন, ব্যবসা, শিক্ষা, গৃহ নির্মাণ ইত্যাদির জন্য প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ নেওয়ার জন্য নিম্নলিখিত নিয়ম অনুসরণ করতে হয়:
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ নেওয়ার জন্য নিম্নলিখিত কাগজপত্র প্রয়োজন:
· 1. ব্যক্তিগত ঋণের জন্য:
o জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
o পাসপোর্টের কপি
o ড্রাইভিং লাইসেন্সের কপি
o দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
o আয়ের প্রমাণপত্র
o সম্পত্তির প্রমাণপত্র
· 2. ব্যবসায়িক ঋণের জন্য:
o ট্রেড লাইসেন্সের কপি
o আর্থিক বিবরণের কপি
o প্রত্যেক অংশীদারের জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের কপি
o প্রত্যেক অংশীদারের দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
o ব্যবসায়ের সম্পত্তির প্রমাণপত্র
ঋণের আবেদন
3.বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণের জন্য আবেদন করার জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন:
1.
বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে যান।
2.
ঋণের জন্য আবেদনপত্র ডাউনলোড করুন।
3.
আবেদনপত্র পূরণ করুন।
4.
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করুন।
5.
আবেদনপত্রটি একটি খামে ভরে তার উপর "ঋণের আবেদন" লেখা দিন।
6.
খামটি বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখায় জমা দিন।
ঋণের সিদ্ধান্ত
বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণের আবেদন পর্যালোচনা করে ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্তের জন্য সাধারণত কিছু সময় লাগে।
ঋণের অর্থ উত্তোলন
ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণগ্রহীতার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঋণের অর্থ জমা করে।
ঋণের পরিশোধ
বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণের পরিশোধের জন্য সাধারণত মাসিক কিস্তিতে পরিশোধের ব্যবস্থা করে থাকে। ঋণের পরিশোধের সময়সীমা সাধারণত ৫ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণের সুবিধা
বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। এই সুবিধাগুলির মধ্যে রয়েছে:
কম সুদের হার: বাংলাদেশ ব্যাংক সাধারণত বাজারের তুলনায় কম সুদের হারে ঋণ প্রদান করে।
দীর্ঘ মেয়াদী: বাংলাদেশ ব্যাংক দীর্ঘ মেয়াদে ঋণ প্রদান করে।
সস্তা ঋণ: বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন উদ্দেশ্যে সস্তা ঋণ প্রদান করে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণের অসুবিধা
বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণের কিছু অসুবিধা রয়েছে। এই অসুবিধাগুলির মধ্যে রয়েছে:
জটিল প্রক্রিয়া: বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ নেওয়ার প্রক্রিয়া কিছুটা জটিল।
কাগজপত্রের জটিলতা: বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ নেওয়ার জন্য অনেকগুলি কাগজপত্র জমা দিতে হয়।
দীর্ঘ সময় লাগে: বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সাধারণত কিছু সময় লাগে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ নেওয়ার আগে
বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ নেওয়ার আগে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি বিবেচনা করুন:
আপনার প্রয়োজনীয়তা: আপনি ঋণটি কী জন্য নেবেন তা বিবেচনা করুন।
আপনার আয়ের ক্ষমতা: আপনি ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারবেন কিনা তা বিবেচনা করুন।
ঋণের সুদের হার: ঋণের সুদের হার
আশা করছি বিষয়টি আপনাদেরকে বুঝাতে পেরেছি
ব্যাংক এশিয়া একাউন্ট খোলার নিয়ম
ব্যাংক এশিয়া বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক। ব্যাংক এশিয়াতে বিভিন্ন ধরনের একাউন্ট খুলতে পারেন। একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং নিয়ম-নীতি নিম্নরূপ:
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
পাসপোর্টের কপি
ড্রাইভিং লাইসেন্সের কপি
দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
ব্যাংক এশিয়া একাউন্ট খোলার নিয়ম
ব্যাংক এশিয়া একাউন্ট খোলার জন্য নিম্নলিখিত ধাপে ধাপে কাজ করতে হয়:
1.
আপনার নিকটস্থ ব্যাংক এশিয়া শাখায় যান।
2.
শাখায় কর্মরত কর্মকর্তাকে জানান যে আপনি একটি একাউন্ট খুলতে চান।
3.
কর্মকর্তা আপনাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলবেন।
4.
আপনার পরিচয় এবং ঠিকানার প্রমাণ হিসাবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিন।
5.
আপনার আয়ের উৎস এবং প্রত্যাশিত লেনদেনের বিবরণ প্রদান করুন।
6.
ব্যাংকের নির্ধারিত ফি পরিশোধ করুন।
7.
কর্মকর্তা আপনার একাউন্ট খুলে দেবেন।
ব্যাংক এশিয়া একাউন্ট খোলার সুবিধা
ব্যাংক এশিয়া একাউন্ট খোলার অনেক সুবিধা রয়েছে। এই সুবিধাগুলির মধ্যে রয়েছে:
একাউন্ট খোলার জন্য সহজ প্রক্রিয়া
কম ফি
বিভিন্ন ধরনের একাউন্টের সুবিধা
উন্নত ব্যাংকিং সেবা
ব্যাংক এশিয়া একাউন্ট খোলার আগে
ব্যাংক এশিয়া একাউন্ট খোলার আগে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি বিবেচনা করুন:
আপনার প্রয়োজনীয়তা: আপনি কোন ধরনের একাউন্ট খুলতে চান তা বিবেচনা করুন।
আপনার আয়ের ক্ষমতা: আপনি একাউন্ট খোলার ফি এবং অন্যান্য চার্জ পরিশোধ করতে পারবেন কিনা তা বিবেচনা করুন।
ব্যাংকের সুবিধা: ব্যাংকের সুবিধা এবং সেবাগুলি আপনার প্রয়োজনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কিনা তা বিবেচনা করুন।
ব্যাংক কত প্রকার
ব্যাংককে বিভিন্ন ভিত্তিতে শ্রেণীবিভাগ করা যায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
1.মালিকানা ভিত্তিতে
রাষ্ট্রীয় ব্যাংক: সরকারের মালিকানাধীন ব্যাংক।
বেসরকারি ব্যাংক: বেসরকারি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন ব্যাংক।
2.অঞ্চল ভিত্তিতে
জাতীয় ব্যাংক: একটি দেশের সীমানার মধ্যে কার্যক্রম পরিচালনাকারী ব্যাংক।
আন্তর্জাতিক ব্যাংক: বিভিন্ন দেশের মধ্যে কার্যক্রম পরিচালনাকারী ব্যাংক।
3.নিয়ন্ত্রণ ভিত্তিতে
পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত ব্যাংক: সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যাংক।
আংশিক নিয়ন্ত্রিত ব্যাংক: সরকারের আংশিক নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যাংক।
বাজার নিয়ন্ত্রিত ব্যাংক: বাজারের নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যাংক।
4.ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে
ইসলামী ব্যাংক: ইসলামী শরীয়াহ আইনের ভিত্তিতে পরিচালিত ব্যাংক।
সাধারণ ব্যাংক: ইসলামী শরীয়াহ আইনের ভিত্তিতে পরিচালিত নয় এমন ব্যাংক।
5.কার্যকলাপের ধরন অনুযায়ী
বাণিজ্যিক ব্যাংক: আমানত গ্রহণ এবং ঋণ প্রদানের মাধ্যমে অর্থ সরবরাহকারী ব্যাংক।
বিনিয়োগ ব্যাংক: বিনিয়োগ সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনাকারী ব্যাংক।
সাময়িকী ব্যাংক: অল্প সময়ের জন্য অর্থের প্রয়োজনে ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক।
বিল্ডিং সোসাইটি ব্যাংক: আবাসন নির্মাণের জন্য ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক।
কৃষি ব্যাংক: কৃষি উন্নয়নের জন্য ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক।
শিল্প ব্যাংক: শিল্প উন্নয়নের জন্য ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক।
সমবায় ব্যাংক: সমবায় সদস্যদের মধ্যে অর্থ লেনদেন এবং ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক।
1.বাংলাদেশে ব্যাংকের শ্রেণীবিভাগ
বাংলাদেশে ব্যাংকগুলিকে নিম্নলিখিতভাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক:
বাংলাদেশ ব্যাংক।
তালিকাভুক্ত ব্যাংক:
রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক: বাংলাদেশ ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক।
বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: এনসিবি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ইত্যাদি।
বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক: স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল
ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ইত্যাদি।
বিশেষায়িত ব্যাংক:
§ বাংলাদেশ কৃষক ব্যাংক
§ বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক
§ বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন
§ বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
§ বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক
§ বাংলাদেশ ভূমি উন্নয়ন করপোরেশন
§ বাংলাদেশ পোস্ট অফিস ব্যাংক
ব্যাংকের কার্যাবলী
ব্যাংকের প্রধান কার্যাবলী হল:
·
আমানত গ্রহণ: ব্যাংক সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা জমা নেয়। এই আমানতগুলিকে ব্যাংক বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে।
·
ঋণ প্রদান: ব্যাংক ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, কৃষক ও অন্যান্য ব্যক্তিদের ঋণ প্রদান করে।
·
পেমেন্ট পরিশোধ: ব্যাংক গ্রাহকদের চেক, ড্রাফট, পে-অর্ডার ইত্যাদির মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করে।
·
সঞ্চয়পত্র বিক্রয়: ব্যাংক সরকারের পক্ষ থেকে সঞ্চয়পত্র বিক্রয় করে।
·
বিদেশি লেনদেন: ব্যাংক গ্রাহকদের বিদেশ থেকে টাকা পাঠানো ও পাওয়ার সহায়তা করে।
·
বিনিয়োগ পরিচালনা: ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য বিনিয়োগের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে।
·
বীমা স্কিম পরিচালনা: ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বীমা স্কিম পরিচালনা করে
ব্যাংক কি
ব্যাংক হলো এক ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান যা সাধারণ মানুষের সঞ্চয় এবং প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত অর্থ আমানত হিসেবে সংগ্রহ করে পুঁজি গড়ে তোলে এবং সেই পুঁজি ব্যবসায়ীদের ঋণ হিসেবে প্রদান করে। এই কর্মপ্রক্রিয়ায় ব্যাংক আমানত সরবরাহকারীকে সুদ প্রদান করে এবং ঋণ গ্রহণকারীর নিকট থেকে সুদ আদায় করে।
ব্যাংক অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থের প্রবাহ সচল হয় এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে। ব্যাংকের প্রধান কার্যাবলী হল:
·
আমানত গ্রহণ: ব্যাংক সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা জমা নেয়। এই আমানতগুলিকে ব্যাংক বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে।
·
ঋণ প্রদান: ব্যাংক ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, কৃষক ও অন্যান্য ব্যক্তিদের ঋণ প্রদান করে।
·
পেমেন্ট পরিশোধ: ব্যাংক গ্রাহকদের চেক, ড্রাফট, পে-অর্ডার ইত্যাদির মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করে।
·
সঞ্চয়পত্র বিক্রয়: ব্যাংক সরকারের পক্ষ থেকে সঞ্চয়পত্র বিক্রয় করে।
·
বিদেশি লেনদেন: ব্যাংক গ্রাহকদের বিদেশ থেকে টাকা পাঠানো ও পাওয়ার সহায়তা করে।
·
বিনিয়োগ পরিচালনা: ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য বিনিয়োগের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে।
·
বীমা স্কিম পরিচালনা: ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বীমা স্কিম পরিচালনা করে।
ব্যাংককে বিভিন্ন ভিত্তিতে শ্রেণীবিভাগ করা যায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
·
মালিকানা ভিত্তিতে:
o রাষ্ট্রীয় ব্যাংক
o বেসরকারি ব্যাংক
·
অঞ্চল ভিত্তিতে:
o জাতীয় ব্যাংক
o আন্তর্জাতিক ব্যাংক
·
নিয়ন্ত্রণ ভিত্তিতে:
o পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত ব্যাংক
o আংশিক নিয়ন্ত্রিত ব্যাংক
o বাজার নিয়ন্ত্রিত ব্যাংক
·
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে:
o ইসলামী ব্যাংক
o সাধারণ ব্যাংক
·
কার্যকলাপের ধরন অনুযায়ী:
o বাণিজ্যিক ব্যাংক
o বিনিয়োগ ব্যাংক
o সাময়িকী ব্যাংক
o বিল্ডিং সোসাইটি ব্যাংক
o কৃষি ব্যাংক
o শিল্প ব্যাংক
o সমবায় ব্যাংক
বাংলাদেশে ব্যাংকগুলিকে নিম্নলিখিতভাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়:
·
কেন্দ্রীয় ব্যাংক: বাংলাদেশ ব্যাংক।
·
তালিকাভুক্ত ব্যাংক:
o রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক: বাংলাদেশ ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক।
o বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: এনসিবি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ইত্যাদি।
o বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক: স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ইত্যাদি।
·
বিশেষায়িত ব্যাংক:
o বাংলাদেশ কৃষক ব্যাংক
o বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক
o বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন
o বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
o বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক
o বাংলাদেশ ভূমি উন্নয়ন করপোরেশন
o বাংলাদেশ পোস্ট অফিস ব্যাংক
ব্যাংকের ইতিহাস
ব্যাংকের ইতিহাস প্রাচীনকালে ফিরে যায়। খ্রিস্টপূর্ব ৭ম শতাব্দীতে ইটালিয় রোম শহরে ইহুদী ব্যবসায়ী ও মহাজনগণ যৌথ উদ্যোগে ব্যাংক ব্যবস্থার প্রবর্তন করে। ১১৫৭ সালে ভেনিস সরকারের প্রচেষ্টায়
'ব্যাংক অব ভেনিস'
প্রতিষ্ঠা করা হয়,
যা বিশ্বের প্রথম সংগঠিত ব্যাংক হিসেবে পরিচিত।
১৪০০ সাল থেকে ব্যাংক ব্যবস্থার আধুনিক যুগের সূচনা হয়। ১৪০১ সালে
'ব্যাংক অব বার্সিলোনা'
প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ব্যাংকের কার্যাবলী বিস্তৃত হতে থাকে। এ ব্যাংককেই বিশ্বের সর্বপ্রথম আধুনিক ব্যাংক হিসেবে চিহ্নিতকরা হয়।
১৬৯৪ সালে ইংল্যান্ডে
'ব্যাংক অব ইংল্যান্ড'
প্রতিষ্ঠিত হয়,
যা বিশ্বের প্রথম কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে পরিচিত। এই ব্যাংকের মাধ্যমে ব্যাংক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
১৮শ শতকে ইউরোপে ব্যাংক ব্যবস্থার ব্যাপক বিকাশ ঘটে। এই সময়ে বিভিন্ন দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং ব্যাংকের কার্যাবলী আরও বিস্তৃত হয়।
১৯শ শতকে ব্যাংক ব্যবস্থা আমেরিকা,
অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এই সময়ে ব্যাংকের কার্যাবলী আরও জটিল ও বৈচিত্র্যময় হয়ে ওঠে।
২০শ শতকে ব্যাংক ব্যবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। এই সময়ে কম্পিউটার,
ইন্টারনেট ও অন্যান্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবাগুলি আরও সহজলভ্য ও উন্নত হয়।
বাংলাদেশে ব্যাংক ব্যবস্থার ইতিহাস দীর্ঘ নয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ঢাকায় অবস্থিত স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের ঢাকা শাখাকে বাংলাদেশ ব্যাংক হিসেবে পুনঃনামকরণ করা হয়। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক আইন পাস হয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংককে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশে ব্যাংক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া শুরু হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি উভয় ধরনের ব্যাংক রয়েছে।
ব্যাংকের কাজ কি কি
ব্যাংক হলো এক ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান যা সাধারণ মানুষের সঞ্চয় এবং প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত অর্থ আমানত হিসেবে সংগ্রহ করে পুঁজি গড়ে তোলে এবং সেই পুঁজি ব্যবসায়ীদের ঋণ হিসেবে প্রদান করে। এই কর্মপ্রক্রিয়ায় ব্যাংক আমানত সরবরাহকারীকে সুদ প্রদান করে এবং ঋণ গ্রহণকারীর নিকট থেকে সুদ আদায় করে।
ব্যাংক অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থের প্রবাহ সচল হয় এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে। ব্যাংকের প্রধান কার্যাবলী হল:
·
আমানত গ্রহণ: ব্যাংক সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা জমা নেয়। এই আমানতগুলিকে ব্যাংক বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে।
·
ঋণ প্রদান: ব্যাংক ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, কৃষক ও অন্যান্য ব্যক্তিদের ঋণ প্রদান করে।
·
পেমেন্ট পরিশোধ: ব্যাংক গ্রাহকদের চেক, ড্রাফট, পে-অর্ডার ইত্যাদির মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করে।
·
সঞ্চয়পত্র বিক্রয়: ব্যাংক সরকারের পক্ষ থেকে সঞ্চয়পত্র বিক্রয় করে।
·
বিদেশি লেনদেন: ব্যাংক গ্রাহকদের বিদেশ থেকে টাকা পাঠানো ও পাওয়ার সহায়তা করে।
·
বিনিয়োগ পরিচালনা: ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য বিনিয়োগের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে।
·
বীমা স্কিম পরিচালনা: ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বীমা স্কিম পরিচালনা করে।
ব্যাংকের কার্যাবলীকে বিভিন্নভাবে শ্রেণীবদ্ধ করা যায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
·
মূল কার্যাবলী:
o আমানত গ্রহণ
o ঋণ প্রদান
·
অন্যান্য কার্যাবলী:
o পেমেন্ট পরিশোধ
o সঞ্চয়পত্র বিক্রয়
o বিদেশি লেনদেন
o বিনিয়োগ পরিচালনা
o বীমা স্কিম পরিচালনা
ব্যাংকের কার্যাবলীর মধ্যে আমানত গ্রহণ ও ঋণ প্রদান হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলী। এই দুই কার্যাবলীর মাধ্যমে ব্যাংক অর্থের প্রবাহ সচল করে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করে।
আমানত গ্রহণের মাধ্যমে ব্যাংক সাধারণ মানুষের সঞ্চয়কে কেন্দ্রীভূত করে এবং সেই সঞ্চয়কে পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করে। ঋণ প্রদানের মাধ্যমে ব্যাংক ব্যবসায়ীদের আর্থিক চাহিদা মেটায় এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করে।
ব্যাংক একাউন্ট খুলতে কত টাকা লাগে
বাংলাদেশে ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক জমার পরিমাণ সাধারণত ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা হয়ে থাকে। তবে, কিছু ব্যাংকে এই পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ব্র্যাক ব্যাংকে রাজধানীর শাখায় হিসাব খুলতে ৫০ হাজার টাকা এবং বাইরের শাখায় হিসাব খুলতে ৫ হাজার টাকা প্রয়োজন হয়। এছাড়াও, কিছু ব্যাংক বিশেষ ধরনের অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা জমার পরিমাণ নির্ধারণ করে থাকে।
ব্যাংক একাউন্ট খোলার সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে:
·
পাসপোর্ট সাইজের ছবি
·
জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ
·
আয়ের প্রমাণ (যদি থাকে)
·
ঠিকানার প্রমাণ (যদি থাকে)
ব্যাংক একাউন্ট খোলার পর, প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ রক্ষণাবেক্ষণ ফি প্রদান করতে হয়। এই ফি সাধারণত ৫০ থেকে ১০০ টাকা হয়ে থাকে।
আপনি যদি বাংলাদেশে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে চান, তাহলে আপনার নিকটস্থ ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করুন। ব্যাংকের কর্মকর্তারা আপনাকে প্রয়োজনীয় তথ্য এবং সহায়তা প্রদান করবেন।
মোবাইল দিয়ে ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম
বাংলাদেশে বর্তমানে বেশিরভাগ ব্যাংক মোবাইল দিয়ে ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুবিধা প্রদান করে থাকে। এই সুবিধাটি ব্যবহার করে আপনি আপনার বাড়িতে বসেই খুব সহজেই ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারবেন।
মোবাইল দিয়ে ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য আপনার যা যা প্রয়োজন হবে:
·
আপনার নিকটস্থ ব্যাংকের মোবাইল অ্যাপ
·
একটি জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
·
একটি সচল মোবাইল ফোন
·
একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
মোবাইল দিয়ে ব্যাংক একাউন্ট খোলার পদ্ধতি:
১. প্রথমে আপনার মোবাইলে ব্যাংকের মোবাইল অ্যাপটি ডাউনলোড করুন এবং ইন্সটল করুন।
২. অ্যাপটি খুলুন এবং "নতুন অ্যাকাউন্ট খুলুন" বা "Open New Account" অপশনে ক্লিক করুন।
৩. আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য প্রদান করুন।
৪. আপনার পাসপোর্ট সাইজের ছবি তুলুন বা আপলোড করুন।
৫. আপনার নিকটস্থ ব্যাংকের শাখায় প্রাথমিক জমা প্রদানের জন্য একটি OTP কোড পাবেন। OTP কোডটি প্রদান করুন।
৬ . আপনার অ্যাকাউন্টের তথ্য নিশ্চিত করুন এবং অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য "সাবমিট" বা "Submit" অপশনে ক্লিক করুন।
আপনার অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। অ্যাকাউন্ট খোলার পর আপনাকে একটি অ্যাকাউন্ট কার্ড এবং পিন প্রদান করা হবে। আপনি আপনার অ্যাকাউন্টটি অ্যাপের মাধ্যমে পরিচালনা করতে পারবেন।
1.মোবাইল দিয়ে ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুবিধা:
বাড়িতে বসেই খুব সহজেই ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারবেন।
সময় এবং অর্থ সাশ্রয় হয়।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের জটিলতা নেই।
2.মোবাইল দিয়ে ব্যাংক একাউন্ট খোলার সতর্কতা:
অ্যাপটি ডাউনলোড করার আগে নিশ্চিত করুন যে অ্যাপটি ব্যাংকের অফিসিয়াল অ্যাপ।
অ্যাপটি ব্যবহার করার সময় আপনার ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখুন।
অ্যাপটি ব্যবহার করার সময় কোনো ধরনের সমস্যা হলে ব্যাংকের কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করুন।
ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম
ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে হলে আপনাকে নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে:
ধাপ ১: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করুন
ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে:
·
পাসপোর্ট সাইজের ছবি (২ কপি)
·
জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ
·
আয়ের প্রমাণ (যদি থাকে)
·
ঠিকানার প্রমাণ (যদি থাকে)
ধাপ ২: আপনার নিকটস্থ ইসলামী ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করুন
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করার পর আপনার নিকটস্থ ইসলামী ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করুন। শাখায় গিয়ে আপনি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলুন এবং একাউন্ট খোলার জন্য আবেদন করুন।
ধাপ ৩: ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করুন
ব্যাংকের কর্মকর্তারা আপনাকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য এবং কাগজপত্র চেক করবেন। যদি সবকিছু ঠিক থাকে তাহলে তারা আপনাকে একাউন্ট খোলার জন্য একটি ফর্ম প্রদান করবেন।
ধাপ ৪: একাউন্ট খোলার ফর্ম পূরণ করুন
ব্যাংকের কর্মকর্তাদের প্রদত্ত একাউন্ট খোলার ফর্মটি সাবধানে পূরণ করুন। ফর্মটি পূরণ করার সময় আপনাকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা, আয়ের উৎস এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করতে হবে।
ধাপ ৫: প্রাথমিক জমা প্রদান করুন
একাউন্ট খোলার জন্য আপনাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রাথমিক জমা প্রদান করতে হবে। প্রাথমিক জমার পরিমাণ ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন ধরনের একাউন্টের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।
ধাপ ৬: একাউন্ট খোলার আবেদন জমা দিন
প্রাথমিক জমা প্রদান করার পর ফর্মটি ব্যাংক কর্মকর্তার কাছে জমা দিন। ব্যাংক কর্মকর্তা আপনার আবেদনটি পর্যালোচনা করবেন এবং একাউন্ট খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
ধাপ ৭: একাউন্ট খোলার বিষয়ে নোটিশ গ্রহণ করুন
আপনার আবেদনটি অনুমোদিত হলে আপনি ব্যাংক থেকে একটি নোটিশ পাবেন। নোটিশে আপনার একাউন্টের নম্বর, শাখার নাম এবং অন্যান্য তথ্য উল্লেখ থাকবে।
ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন ধরনের একাউন্ট
ইসলামী ব্যাংক বিভিন্ন ধরনের একাউন্ট প্রদান করে থাকে। আপনার প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে আপনি যেকোনো ধরনের একাউন্ট খুলতে পারেন। ইসলামী ব্যাংকের কিছু জনপ্রিয় একাউন্টের মধ্যে রয়েছে:
সেভিং একাউন্ট
ডেবিট কার্ড একাউন্ট
ক্রেডিট কার্ড একাউন্ট
রিটেইলার একাউন্ট
করপোরেট একাউন্ট
বিজনেস একাউন্ট
ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুবিধা
1.ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট খোলার কিছু সুবিধা হল:
ইসলামিক শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত হয়।
সুদমুক্ত।
লেনদেন নিরাপদ।
বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদান করে।
ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট খোলার সতর্কতা
2.ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট খোলার সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখুন:
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে সংগ্রহ করুন।
একাউন্ট খোলার ফর্মটি সাবধানে পূরণ করুন।
প্রাথমিক জমা প্রদানের সময় সঠিক পরিমাণ জমা দিন।
একাউন্ট খোলার বিষয়ে নোটিশটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন।
ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম
ডাচ বাংলা ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে হলে আপনাকে নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে:
ধাপ ১: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করুন
ডাচ বাংলা ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে:
·
পাসপোর্ট সাইজের ছবি (২ কপি)
·
জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ
·
আয়ের প্রমাণ (যদি থাকে)
·
ঠিকানার প্রমাণ (যদি থাকে)
ধাপ ২: আপনার নিকটস্থ ডাচ বাংলা ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করুন
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করার পর আপনার নিকটস্থ ডাচ বাংলা ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করুন। শাখায় গিয়ে আপনি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলুন এবং একাউন্ট খোলার জন্য আবেদন করুন।
ধাপ ৩: ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করুন
ব্যাংকের কর্মকর্তারা আপনাকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য এবং কাগজপত্র চেক করবেন। যদি সবকিছু ঠিক থাকে তাহলে তারা আপনাকে একাউন্ট খোলার জন্য একটি ফর্ম প্রদান করবেন।
ধাপ ৪: একাউন্ট খোলার ফর্ম পূরণ করুন
ব্যাংকের কর্মকর্তাদের প্রদত্ত একাউন্ট খোলার ফর্মটি সাবধানে পূরণ করুন। ফর্মটি পূরণ করার সময় আপনাকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা, আয়ের উৎস এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করতে হবে।
ধাপ ৫: প্রাথমিক জমা প্রদান করুন
একাউন্ট খোলার জন্য আপনাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রাথমিক জমা প্রদান করতে হবে। প্রাথমিক জমার পরিমাণ ডাচ বাংলা ব্যাংকের বিভিন্ন ধরনের একাউন্টের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।
ধাপ ৬: একাউন্ট খোলার আবেদন জমা দিন
প্রাথমিক জমা প্রদান করার পর ফর্মটি ব্যাংক কর্মকর্তার কাছে জমা দিন। ব্যাংক কর্মকর্তা আপনার আবেদনটি পর্যালোচনা করবেন এবং একাউন্ট খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
ধাপ ৭: একাউন্ট খোলার বিষয়ে নোটিশ গ্রহণ করুন
আপনার আবেদনটি অনুমোদিত হলে আপনি ব্যাংক থেকে একটি নোটিশ পাবেন। নোটিশে আপনার একাউন্টের নম্বর, শাখার নাম এবং অন্যান্য তথ্য উল্লেখ থাকবে।
ডাচ বাংলা ব্যাংকের বিভিন্ন ধরনের একাউন্ট
ডাচ বাংলা ব্যাংক বিভিন্ন ধরনের একাউন্ট প্রদান করে থাকে। আপনার প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে আপনি যেকোনো ধরনের একাউন্ট খুলতে পারেন। ডাচ বাংলা ব্যাংকের কিছু জনপ্রিয় একাউন্টের মধ্যে রয়েছে:
·
সেভিং একাউন্ট
·
ডেবিট কার্ড একাউন্ট
·
ক্রেডিট কার্ড একাউন্ট
·
রিটেইলার একাউন্ট
·
করপোরেট একাউন্ট
·
বিজনেস একাউন্ট
ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুবিধা
ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলার কিছু সুবিধা হল:
·
আন্তর্জাতিক পরিচিতি
·
বিশ্বমানের সেবা
·
বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদান করে
ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলার সতর্কতা
ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলার সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখুন:
·
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে সংগ্রহ করুন।
·
একাউন্ট খোলার ফর্মটি সাবধানে পূরণ করুন।
·
প্রাথমিক জমা প্রদানের সময় সঠিক পরিমাণ জমা দিন।
·
একাউন্ট খোলার বিষয়ে নোটিশটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন।
ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলার অনলাইন পদ্ধতি
ডাচ বাংলা ব্যাংক বর্তমানে অনলাইনেও একাউন্ট খোলার সুবিধা প্রদান করে থাকে। অনলাইনে একাউন্ট খোলার জন্য আপনাকে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করতে হবে:
১. ডাচ বাংলা ব্যাংকের ওয়েবস
ব্র্যাক ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম
একাউন্ট
ব্র্যাক ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে হলে আপনাকে নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে:
ধাপ ১: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করুন
ব্র্যাক ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে:
·
পাসপোর্ট সাইজের ছবি (২ কপি)
·
জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ
·
আয়ের প্রমাণ (যদি থাকে)
·
ঠিকানার প্রমাণ (যদি থাকে)
ধাপ ২: আপনার নিকটস্থ ব্র্যাক ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করুন
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করার পর আপনার নিকটস্থ ব্র্যাক ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করুন। শাখায় গিয়ে আপনি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলুন এবং একাউন্ট খোলার জন্য আবেদন করুন।
ধাপ ৩: ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করুন
ব্যাংকের কর্মকর্তারা আপনাকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য এবং কাগজপত্র চেক করবেন। যদি সবকিছু ঠিক থাকে তাহলে তারা আপনাকে একাউন্ট খোলার জন্য একটি ফর্ম প্রদান করবেন।
ধাপ ৪: একাউন্ট খোলার ফর্ম পূরণ করুন
ব্যাংকের কর্মকর্তাদের প্রদত্ত একাউন্ট খোলার ফর্মটি সাবধানে পূরণ করুন। ফর্মটি পূরণ করার সময় আপনাকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা, আয়ের উৎস এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করতে হবে।
ধাপ ৫: প্রাথমিক জমা প্রদান করুন
একাউন্ট খোলার জন্য আপনাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রাথমিক জমা প্রদান করতে হবে। প্রাথমিক জমার পরিমাণ ব্র্যাক ব্যাংকের বিভিন্ন ধরনের একাউন্টের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।
ধাপ ৬: একাউন্ট খোলার আবেদন জমা দিন
প্রাথমিক জমা প্রদান করার পর ফর্মটি ব্যাংক কর্মকর্তার কাছে জমা দিন। ব্যাংক কর্মকর্তা আপনার আবেদনটি পর্যালোচনা করবেন এবং একাউন্ট খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
ধাপ ৭: একাউন্ট খোলার বিষয়ে নোটিশ গ্রহণ করুন
আপনার আবেদনটি অনুমোদিত হলে আপনি ব্যাংক থেকে একটি নোটিশ পাবেন। নোটিশে আপনার একাউন্টের নম্বর, শাখার নাম এবং অন্যান্য তথ্য উল্লেখ থাকবে।
ব্র্যাক ব্যাংকের বিভিন্ন ধরনের
ব্র্যাক ব্যাংক বিভিন্ন ধরনের একাউন্ট প্রদান করে থাকে। আপনার প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে আপনি যেকোনো ধরনের একাউন্ট খুলতে পারেন। ব্র্যাক ব্যাংকের কিছু জনপ্রিয় একাউন্টের মধ্যে রয়েছে:
·
সেভিং একাউন্ট
·
ডেবিট কার্ড একাউন্ট
·
ক্রেডিট কার্ড একাউন্ট
·
রিটেইলার একাউন্ট
·
করপোরেট একাউন্ট
·
বিজনেস একাউন্ট
ব্র্যাক ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুবিধা
ব্র্যাক ব্যাংক একাউন্ট খোলার কিছু সুবিধা হল:
·
বেসরকারি ব্যাংক
·
সুদযুক্ত
·
লেনদেন নিরাপদ
·
বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদান করে
ব্র্যাক ব্যাংক একাউন্ট খোলার সতর্কতা
ব্র্যাক ব্যাংক একাউন্ট খোলার সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখুন:
·
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে সংগ্রহ করুন।
·
একাউন্ট খোলার ফর্মটি সাবধানে পূরণ করুন।
·
প্রাথমিক জমা প্রদানের সময় সঠিক পরিমাণ জমা দিন।
·
একাউন্ট খোলার বিষয়ে নোটিশটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন।
ব্র্যাক ব্যাংক একাউন্ট খোলার অনলাইন পদ্ধতি
ব্র্যাক ব্যাংক বর্তমানে অনলাইনেও একাউন্ট খোলার সুবিধা প্রদান করে থাকে। অনলাইনে একাউন্ট খোলার জন্য আপনাকে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করতে হবে:
১. ব্র্যাক ব্যাংকের ওয়েবসাইটে যান।
সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম
সোনালী ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে হলে আপনাকে নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে:
ধাপ ১: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করুন
সোনালী ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে:
·
পাসপোর্ট সাইজের ছবি (২ কপি)
·
জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ
·
আয়ের প্রমাণ (যদি থাকে)
·
ঠিকানার প্রমাণ (যদি থাকে)
ধাপ ২: আপনার নিকটস্থ সোনালী ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করুন
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করার পর আপনার নিকটস্থ সোনালী ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করুন। শাখায় গিয়ে আপনি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলুন এবং একাউন্ট খোলার জন্য আবেদন করুন।
ধাপ ৩: ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করুন
ব্যাংকের কর্মকর্তারা আপনাকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য এবং কাগজপত্র চেক করবেন। যদি সবকিছু ঠিক থাকে তাহলে তারা আপনাকে একাউন্ট খোলার জন্য একটি ফর্ম প্রদান করবেন।
ধাপ ৪: একাউন্ট খোলার ফর্ম পূরণ করুন
ব্যাংকের কর্মকর্তাদের প্রদত্ত একাউন্ট খোলার ফর্মটি সাবধানে পূরণ করুন। ফর্মটি পূরণ করার সময় আপনাকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা, আয়ের উৎস এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করতে হবে।
ধাপ ৫: প্রাথমিক জমা প্রদান করুন
একাউন্ট খোলার জন্য আপনাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রাথমিক জমা প্রদান করতে হবে। প্রাথমিক জমার পরিমাণ সোনালী ব্যাংকের বিভিন্ন ধরনের একাউন্টের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।
ধাপ ৬: একাউন্ট খোলার আবেদন জমা দিন
প্রাথমিক জমা প্রদান করার পর ফর্মটি ব্যাংক কর্মকর্তার কাছে জমা দিন। ব্যাংক কর্মকর্তা আপনার আবেদনটি পর্যালোচনা করবেন এবং একাউন্ট খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
ধাপ ৭: একাউন্ট খোলার বিষয়ে নোটিশ গ্রহণ করুন
আপনার আবেদনটি অনুমোদিত হলে আপনি ব্যাংক থেকে একটি নোটিশ পাবেন। নোটিশে আপনার একাউন্টের নম্বর, শাখার নাম এবং অন্যান্য তথ্য উল্লেখ থাকবে।
সোনালী ব্যাংকের বিভিন্ন ধরনের একাউন্ট
সোনালী ব্যাংক বিভিন্ন ধরনের একাউন্ট প্রদান করে থাকে। আপনার প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে আপনি যেকোনো ধরনের একাউন্ট খুলতে পারেন। সোনালী ব্যাংকের কিছু জনপ্রিয় একাউন্টের মধ্যে রয়েছে:
সেভিং একাউন্ট
ডেবিট কার্ড একাউন্ট
ক্রেডিট কার্ড একাউন্ট
রিটেইলার একাউন্ট
করপোরেট একাউন্ট
বিজনেস একাউন্ট
সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুবিধা
1.সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলার কিছু সুবিধা হল:
সরকারী ব্যাংক
সুদযুক্ত
লেনদেন নিরাপদ
বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদান করে
সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলার সতর্কতা
2.সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলার সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখুন:
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে সংগ্রহ করুন।
একাউন্ট খোলার ফর্মটি সাবধানে পূরণ করুন।
প্রাথমিক জমা প্রদানের সময় সঠিক পরিমাণ জমা দিন।
একাউন্ট খোলার বিষয়ে নোটিশটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন।
3.সোনালী ব্যাংক একাউন্ট খোলার অনলাইন পদ্ধতি
সোনালী ব্যাংক বর্তমানে অনলাইনেও একাউন্ট খোলার সুবিধা প্রদান করে থাকে। অনলাইনে একাউন্ট খোলার জন্য আপনাকে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করতে হবে:
১. সোনালী ব্যাংকের ও
ব্যাংক একাউন্ট খোলা এবং ব্যাংক একাউন্ট খুলতে কি কি লাগে এই সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন উত্তর
ব্যাংক একাউন্ট খোলার কতদিন পর চেক বই পাওয়া যায়?
এটা বিভিন্ন ব্যাংকের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে তবে অবশ্যই মিনিমাম ৭ দিন এবং সর্বোচ্চ ৩০ দিন লেগে থাকে।
কত বছর বয়স হলে ব্যাংক একাউন্ট খোলা যায়?
আপনি একদম জিরো বয়স থেকে যে কারো ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারবেন। তবে এই ব্যাংক একাউন্টে ১৮ বছরের নিচে হলে অবশ্যই এটার সম্পূর্ণ দায়ভার এবং অন্যান্য সকল বিষয় থাকবে তার পিতা-মাতার উপরে। ১৮ বছর বয়স হলেই শুধুমাত্র ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিজস্ব মালিক হওয়া যায়।
ব্যাংক একাউন্ট খুলতে কি কি লাগে?
নাগরিকত্ব, ভোটার আইডি কার্ড, পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং আবেদন ফরম।
শেষ কথা - আশা করছি আপনারা যারা ব্যাংক একাউন্ট খোলার কথা ভেবেছিলেন এবং ব্যাংক একাউন্ট খুলতে কি কি লাগে সে বিষয়টি জানতে চেয়েছিলেন? তাদের জন্য পোস্টটি খুবই উপকারী হয়েছে।
এছাড়াও যদি অন্য কোন বিষয় আপনি জানা থাকে অবশ্যই কমেন্টসে জানাবেন আর যদি কোথাও কোন ভুল খুটি হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।